Moving Average (MA) – চলন্ত গড়
ব্যাখ্যা:
এটি মার্কেটের মধ্যম মূল্য ট্রেন্ড দেখায়। সাধারণত SMA (Simple Moving Average) এবং EMA (Exponential Moving Average) ব্যবহার হয়।
কীভাবে কাজ করে:
যদি দাম MA-এর উপরে থাকে → ট্রেন্ড বুলিশ (উর্ধ্বমুখী)।
যদি দাম MA-এর নিচে থাকে → ট্রেন্ড বেয়ারিশ (নিচের দিকে)।
বাংলায় সহজ: এটা মনে করো, MA হলো মার্কেটের “সরাসরি রুট” যা দাম কতটা স্থিতিশীল বা ওঠানামা করছে দেখায়।
—
2️⃣ Relative Strength Index (RSI) – আপেক্ষিক শক্তি সূচক
ব্যাখ্যা:
RSI 0 থেকে 100 পর্যন্ত স্কেল ব্যবহার করে। এটি বাজার ওভারবট বা ওভারসোল্ড আছে কিনা তা দেখায়।
কীভাবে কাজ করে:
RSI > 70 → বাজার ওভারবট → দাম কমতে পারে।
RSI < 30 → বাজার ওভারসোল্ড → দাম বাড়তে পারে।
বাংলায় সহজ: RSI বলে দিচ্ছে বাজার কতটা “ক্লান্ত” বা “উদ্দীপিত”।
—
3️⃣ MACD (Moving Average Convergence Divergence) – চলন্ত গড় মিলন
ব্যাখ্যা:
এটি দুইটি EMA-এর পার্থক্য দেখায়। ট্রেন্ডের শক্তি এবং রিভার্সাল পয়েন্ট বুঝতে সাহায্য করে।
কীভাবে কাজ করে:
MACD লাইন সিগন্যাল লাইনের উপরে → বুলিশ সিগন্যাল।
MACD লাইন সিগন্যাল লাইনের নিচে → বেয়ারিশ সিগন্যাল।
বাংলায় সহজ: এটা বাজারের “গতি” বোঝায় এবং ট্রেন্ড পরিবর্তনের আগে সতর্ক করে।
—
4️⃣ Bollinger Bands – বোলিঞ্জার ব্যান্ড
ব্যাখ্যা:
মূলত এটি তিনটি লাইন দিয়ে দাম কতটা ভোলাটাইল তা দেখায় – মধ্যম লাইন + উঁচু ও নিচু সীমা।
কীভাবে কাজ করে:
দাম উপরের ব্যান্ড → দাম বেশি হয়েছে (বিক্রয় সিগন্যাল)।
দাম নিচের ব্যান্ড → দাম কম হয়েছে (ক্রয় সিগন্যাল)।
ব্যান্ড সঙ্কুচিত → বাজার নিরব, বিস্তার → বাজার উচ্চ ভোলাটিলিটি।
বাংলায় সহজ: বোলিঞ্জার ব্যান্ড বলতে বোঝ, দাম কতটা “চাপের মধ্যে” বা “দূরে” আছে।
—
5️⃣ Volume Indicator – ভলিউম সূচক
ব্যাখ্যা:
ট্রেডিং ভলিউম দেখায়, অর্থাৎ কতজন মানুষ সেই সময়ে কিনছে বা বিক্রি করছে।
কীভাবে কাজ করে:
বেশি ভলিউম + দাম বৃদ্ধি → শক্তিশালী ট্রেন্ড।
কম ভলিউম + দাম বৃদ্ধি → ট্রেন্ড দুর্বল।
বাংলায় সহজ: ভলিউম বলে দিচ্ছে, বাজারে কতজন মানুষ সত্যিই অংশ নিচ্ছে।
—
💡 টিপ: এই ৫টি ইন্ডিকেটর একসাথে ব্যবহার করলে ট্রেডের সঠিক সিগন্যাল পাওয়া সহজ হয়। একে কেবল দেখার জন্য নয়, ট্রেন্ড ও মোমেন্টাম যাচাই করতে ব্যবহার করো।
